উঁচু আর নিচু
শিখতে হয়
মাথা নিচু করে
বাঁচতে হয়
মাথা উঁচু করে ৷
মজবুরির তপস্যা
নতুন বিয়ের পর ভবেশবাবুর স্ত্রী ভবেশবাবু ঘরে না ফেরা পর্যন্ত ভাত খেতেন না ৷ সারা মহল্লার মহিলারা ভবেশবাবুর স্ত্রীকে খুব সম্মান করতেন ৷
তাঁরা বলতেন, 'আপনি মহান ৷ আপনি হলেন পতিব্রতা ... আপনি সতী ... আপনি সাধ্বী ... আপনি হলেন ভারতীয় সংস্কৃতির পূজারিণী ... আপনি আমাদের প্রেরণা ... আপনি এই কলিযুগের আদর্শ নারী ৷'
একদিন এক মহিলা জিজ্ঞেস করলেন, 'আপনি এত বড় তপস্যা কীভাবে করেন?'
ভবেশবাবুর স্ত্রী বললেন, 'সেটা আমার মজবুরি রে বোন ... আমার পতি ঘরে এসে রান্না করার পর তবেই না আমি খাই ৷'
যখন ডাক্তারও পাগল হয়
এক নামকরা ডাক্তার এক পাগলকে জিজ্ঞাসা করলেন ...
ডাক্তার: তুমি পাগল হলে কীভাবে ??
পাগল: পাগল কি হইছি সাধে ?
আমি এক বিধবা মহিলাকে বিয়ে করেছিলাম ৷ তার এক যুবতী মেয়ে ছিল ৷ তাকে বিয়ে করল আমার বাবা ৷ তো আমার মেয়ে হয়ে গেল আমার মা এবং আমি হয়ে গেলাম আমার বাবার শ্বশুর ৷ তাদের একটা মেয়ে হলো, সে হলো আমার বোন, কিন্তু আমি তার দিদিমার স্বামী ৷ সেদিক থেকে সে আমার নাতনিও ৷ এবার আমার একটা ছেলে হলো ৷ তো আমার ছেলে হলো আমার বাপের শালা, আর আমি আমার ছেলের ভাগ্নে ৷
ডাক্তার: চুপ ৷ শালা চুপ ৷ ব্যাটা আমাকেও পাগল বানিয়ে ছাড়বি ... ৷
শুনতে ভালো লাগা কথাগুলো
পচাদার বউ পচাদার মাতলামিতে অতিষ্ঠ হয়ে বাপের বাড়ি চলে গেছে ৷
পচাদা রোজ ফোন করে ৷ শাশুড়ি ফোন ধরে ৷
- তোমাকে আমি কতবার বলেছি, তুমি আমার মেয়েকে বারবার ফোন করে বিরক্ত করবে না ৷ ও আর তোমার কাছে ফিরবে না ৷ ...
পচাদা: না, আসলে আমার এই কথাগুলো শুনতে খুব ভালো লাগে তো তাই ...
(ভাইরাল মুচকি, দৈনিক যুগশঙ্খ, গুয়াহাটি, মঙ্গলবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৭, পৃষ্ঠা ৮)
কিশলয় সিনহা [G]
আমার (প্রয়াত) শাশুড়ি - অর্থাৎ আমার ধর্মপত্নীর মা - ক্লাস 6 বা 7 পাশ ছিল কারণ বেচারীর খুব কম বয়সেই বিয়ে হয়েছিল (চেহারা সুন্দর ছিল বোধ হয় তাই) - একদিন অনেক বছর আগে আমার ধর্মপত্নী (আমাদের মধ্যে একটা মামুলি কথা কাটাকাটি হওয়ার পর) আমার শাশুড়িকে ফোন করে চিৎকার করে বলল: "মা, এক্ষুনি একটা উকীল ডেকে আনো আর আমাদের ডাইভোর্সের ব্যবস্থা কর !" আমার স্বল্প-শিক্ষিত শাশুড়ী মেয়েকে বলল: "মা, ডাইভোর্স মানে কী ?!!"
"Divorce"! কি আস্পর্ধা! ছোট মুখে বড় কথা! Divorce বানান করতে পারবে আমার মূর্খ ধর্মপত্নী? আমি এখন ভাবি, আমার ধর্মপত্নী ত এখন খুব TV serials দেখে, কিন্তু অত বছর আগে ত আমার ধর্মপত্নী তেমন TV serials দেখত না, তাহলে আমার বোকা ধর্মপত্নীকে কে দুষ্ট বুদ্ধি দিয়েছিল? আমার মূর্খ ধর্মপত্নী অনেক জন্মের সাধনার পর আমাকে পেয়েছে - ওর কপাল ভাল - আমি ওকে জানিয়ে দিয়েছি আমার আসল পরিচয় ! এখন আর টু শব্দ করে না আমার রহস্যময় পরিচয় পেয়ে !
কিশলয় সিনহা [ভ]